বিবেকবান মানুষদের কাছে আমার প্রশ্ন!

111

জাহিদুল ইসলাম ছালেহ্: বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের উপর বিভিন্নভাবে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা একের পর এক আক্রমণ করেই চলেছে। এক সময় হিন্দুরা মুসলমানদের উপর নির্যাতন করেছে হত্যা করেছে কাশ্মীরে । আরেক সময় ইহুদীরা মারছে ফিলিস্তিনে। অন্য সময় খ্রিষ্টানরা মারছে আফগানে। আর এখন মারছে বৌদ্ধরা বার্মায়। এভাবে চলার পরও বিশ্ব মিডিয়াগুলো চুপ। এরপরও কি মুসলমানদের জঙ্গি বলে আখ্যা দেয়া হবে? বিবেকবান মানুষদের কাছে আমার প্রশ্ন!
ইহুদীদের বিচার হয়নি, খ্রিষ্টানরাও বেঁচে গেছে, আবার হিন্দুরাওতো মুদির স্বজন। বাকী বৌদ্ধদেরকেতো জাতী সংঘও কিছু করতে পারেনি। তবে এমন কাজ মুসলমানদের হলে বিশ্বের মিডিয়াগুলো মরিয়া হয়ে উঠত; কিভাবে মুসলমানদের জঙ্গি বলে বিশ্বে প্রচার করা যায়? তবে সকল অমুসলিমদের বলে দেই যে, তোমরা সবাই মিলে মুসলমানদের নিঃশেষ করতে পারবে ঠিক, কিন্তু ইসলামকে নিঃশেষ করার শক্তি তোমাদের নেই।
ﻳﺮﻳﺪﻭﻥ ﻟﻴﻄﻔﺆﻭﺍ ﻧﻮﺭ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﺄﻓﻮﺍﻫﻬﻢ ……… ﺇﻟﺦ
আরেকটা কথা জেনে রেখো যে, মুসলমানদের বুকের পবিত্র তাজা একফোঁটা রক্ত বৃথা গিয়েছে, এমন নযীর এখন পর্যন্ত কেউ দেখাতে পারবে না। বৌদ্ধদের লাগামহীন অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মুহাজিররা টেকনাফে প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান করছে । আর অসংখ্য মুসলমাকে বিভিন্নভাবে হত্যা করা হয়েছে । তবে খোদার কসম খেয়ে বলতে পারি, অসংখ্য পবিত্র রক্তের ফোঁটার বিনিময়ে বার্মার মুসলমানদের বিজয় অর্জিত হবেই হবে ইনশাআল্লাহ্ ।
গত কয়েকদিন আগে সিলেটের জাফলংয়ে মুসলমান নামধারী ভণ্ডরা আমাদের একভাইকে স্বস্থানেই শহীদ করেছে । বাকী দু’জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহীদী পেয়ালা হাতে ধারণ করতে সক্ষম হয়েছেন।
পরিস্কার বলছি, উলামায়ে কেরামদের দেয়া সময়ানুযায়ী যদি গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দেয়া না হয়, তাহলে আমার শহীদ ভাইদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ থেকে উলামায়ে কেরামদের নেতৃত্বে ভণ্ডদের সমস্ত আস্তানা উঠিয়েই দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ্ ।
অতিথি লেখক, শিক্ষক, আশরাফুল উলুম সুতারপুর মাদরাসা, নেত্রকোনা।